একটি পরিচ্ছন্ন সরকারি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে একজন নার্স মাস্ক পরে পরম মমতায় একটি শিশুকে নেবুলাইজার দিয়ে শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা দিচ্ছেন। হাসপাতালের দেয়ালে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক রঙিন পোস্টার দেখা যাচ্ছে।

তীব্র শীতে দেশজুড়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ: হাসপাতালগুলোকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ নির্দেশনা

স্বাস্থ্য প্রতিবেদক | ঢাকা

চলতি জানুয়ারি মাসে দেশজুড়ে বয়ে যাওয়া তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS) দেশের সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জন্য ৭ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।

নির্দেশনাসমূহ: ১. হাসপাতালের ভাঙা জানালা ও দরজা মেরামত করে ভেতরে ঠান্ডা বাতাস ঢোকা বন্ধ করতে হবে। ২. রোগীদের পর্যাপ্ত কম্বল ও মশারি নিশ্চিত করতে হবে। ৩. নেবুলাইজার, অক্সিজেন এবং অ্যান্টিবায়োটিকের মতো জরুরি ওষুধের পর্যাপ্ত মজুদ রাখতে হবে। ৪. শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে বাধ্যতামূলকভাবে প্রতিদিন বিকেলে চিকিৎসকদের রাউন্ড নিশ্চিত করতে হবে। ৫. শীতকালীন রোগ প্রতিরোধে রোগীর স্বজনদের সচেতনতামূলক পরামর্শ দিতে হবে। ৬. প্রতিদিনের পরিস্থিতির প্রতিবেদন কন্ট্রোল রুমে পাঠাতে হবে। ৭. হাসপাতাল প্রধানদের সরাসরি তদারকি বাড়াতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের এই সময়ে বাড়তি সতর্কতায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।