বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আজ একটি যুগান্তকারী ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি ‘ডিজিটাল হেলথ কার্ড’ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে একজন রোগীর পূর্ববর্তী সকল প্রেসক্রিপশন, প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট এবং অ্যালার্জি সংক্রান্ত তথ্য একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে।
মন্ত্রণালয়ের নতুন এই রূপরেখা অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিকগুলোকেও এই সিস্টেমের আওতায় আনা হচ্ছে। এর ফলে জরুরি অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তাররা মুহূর্তেই তার চিকিৎসার ইতিহাস দেখে জীবনরক্ষাকারী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে যেখানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অভাব রয়েছে, সেখানে এই ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার টেলি-মেডিসিন সেবাকে আরও নিখুঁত করে তুলবে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে এই ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।



